অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এখন পুত্র সন্তানের মা, অভি’যুক্ত চলে গেলো প্রবাসে

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ধ’র্ষ’ণের শি’কার হয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রী পুত্র সন্তানের জননী হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সন্তানের পিতৃপরিচয় আর স্ত্রী হিসেবে নিজের স্বী’কৃতি চায় এই কিশোরী। এ ঘটনায় অভিযু’ক্ত সাগরকে বাঁচাতে বিদেশে পাঠিয়ে

দিয়েছে তার পরিবারের লোকজন। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাইকশা গ্রামের এই কিশোরী সুবিচারের আশায় এবং সন্তানের পিতৃপরিচয় ও স্ত্রী হিসেবে স্বামীর স্বী’কৃতির জন্য সমাজের মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ব্য’র্থ

হয়েছে। অবশেষে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন কিশোরীর বাবা। নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন দমন আ’ইনে ধ’র্ষক ও তার বাবা-মা সহ ৩ জনকে আসা’মি করে বি’চার প্রার্থী হয়েছেন তিনি। আদালত তদ’ন্ত শেষে বিষয়টি আমলে নিয়ে থানা পুলিশকে আ’সামিদের গ্রে’প্তা’রের আ’দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এই আদেশ দেন কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নি’যা’র্তন দ’মন ট্রাইব্যুনালে বি’চারক। মাম’লার অভি’যোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাইকশা গ্রামের দরিদ্র মাছ ব্যবসায়ীর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাকে ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় একা পেয়ে একই গ্রামের প্রতিবেশী আরিফ মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (২০) কৌশলে ঘরে ঢুকে মুখ চে’পে ধরে এবং ধারা’লো ছু’রির ভয় দেখিয়ে জো’রপূর্বক ধ’র্ষণ করে।

এছাড়া ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে প্রাণে মে’রে ফে’লার হু’মকি দেয় ধ’র্ষক। পরে ভয়ে ধ’র্ষিতা তখন আর মুখ খুলেনি। কিন্তু ঘটনার চার মাস পর তার শারী’রিক পরিবর্তন দেখা দিলে কিশোরী প্রথমে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে কিশোরীর পরিবার সাগরের পিতা-মাতার নিকট বি’চার প্রার্থী হলে তারা বিষয়টি সমাধানের আ’শ্বাস দেয়। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ আগস্ট সকালে ওই কিশোরী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু সাগরের পরিবার বিষয়টি নিয়ে তা’লবাহানা করলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয়। এতেও স’মাধান হয়নি।

পরে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মা’মলা দায়ের করেন।সাড়ে ৪ মাস বয়সী শিশু সন্তান কোলে নিয়ে কিশোরী জানায়, সাগর আমাকে মুখে চেপে ধরে ধ’র্ষণ করেছে। ফলে আমার পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে। এই সন্তানের বাবা সাগর। কিন্তু আমি ও আমার পরিবারের লোকজন সমাজে নি’রীহ। তাই আমি সু’বিচার থেকে ব’ঞ্চিত। আমার সন্তানের পিতৃ পরিচয় ও স্ত্রী হিসেবে সাগরের কাছ থেকে স্বামীর স্বী’কৃতি চাই। কিশোরী আরও জানায়, সাগরের পরিবারের লোকজনের প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা রয়েছে। ফলে প্রভাবশালীদের কারণে থানায় মা’মলা নেয়নি পুলিশ। এছাড়া সাগরকে বাঁচাতে বিদেশ পাঠিয়ে দিয়েছে তার পরিবারের লোকজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *