এলোকেশী কন্যা পর্ব :- ৩০

0
261

গল্প :-এলোকেশী কন্যা
পর্ব :- ৩০
লেখা :- Nurzahan akter allo



:- দিদার রুমে ঢুকতেই দিদা আলোর গালে ঠাস করে চড় বসিয়ে দিল।আলো ভাবতে পারে নি দিদার ওকে মারবে কিন্ত কেন পারলো সেটাই বুঝতে পারছে না???।আলো অবাক হয়ে দিদা দিকে তাকিয়ে আছে,আর হাতে থাকা চায়ের কাপটা নিচে টুকরো টুকরো হয়ে নিচে পড়ে আছে,আলো বুঝতেই পারেনি দিদা এরকম হুট করে চড় মেরে বসবে।দিদা আলোর দিকে তাকিয়ে,,

দিদাঃএই বেশরম মাইয়া সারারাতই রুমের মধ্যে থাইকা আবার বাইরে বাইর হইয়াও এসব করন লাগবো তোমার।মেঘের চেখে যদি এসব পড়ে তইলে ওই পুলাডাই বা কি শিখবো তোমাদের থাইকা।অসভ্য মাইয়া সত্যিই কি বুদ্ধি নাই নাকি এসব মানুষকে দেহানোর লাইগাই এসব কইরা বেড়াও।

আলোঃআমার ভুল হয়ে গেছে দিদা আর এরকম ভুল হবে না।আমি খেয়াল করি নি,যে আপনি এসব দেখে ফেলছেন আর হবে না দিদা,আমাকে এবাবের মত মাফ করে দেন।

দিদাঃকথাখান যেন তোমার মাথায় থাকে,আমি এসব বেহায়াপনা দেখবার পারি না,আর এই জায়গা পরিষ্কার কইরা আমার লাইগা নতুন কইরা চা লইয়া আসবা,আর এসব কথা যদি রোদের কানে যাই তইলে মুই তোমারে ছাইরা কথা কবো না।
আলোঃ আচ্ছা দিদা,এসব উনার কানে যাবে না।আর আমি এখুনি চা করে দিচ্ছি,,।

আলো এটা বলে চলে গেল,আলোর গালে পাঁচ আঙুলের দাগ বসে গেছে।আলো নিজেকে সামলে নিলো,,,।আলো ওর মাথার ওড়নাটা টেনে দিল যাতে রোদ আর মেঘের চোখে না পড়ে।যদি ওদের চোখে পড়ে তাহলে চেচিয়ে বাড়ি মাথায় তুলবে এটা আলো খুব ভাল করেই জানি।আলো চা করে দিদার রুমে দিয়ে, রান্না ঘরে নাস্তা রেডি করার জন্য গেল,রোদ নিচে এসে নিউজপেপার দেখছিলো,আর মেঘ ঘুম ঘুম চোখে টলতে টলতে এসে আলোর পাশে দাঁড়ালো।আলো মেঘকে ফ্রেশ হয়ে আসার জন্য বললো,আবার মেঘ উপরে আসলো ফ্রেস হওয়ার জন্য। খাবার রেডি করে টেবিলে সাজিয়ে দিল।দিদাকে রুম থেকে ডেকে আনলো,রোদ আলোকে এভাবে ঘোমটা দেওয়া দেখে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে কিন্তু দিদার জন্য কিছু বলতে পারছে না,মেঘ এসে বসলো মেঘ আলোর দিকে তাকিয়ে আছে,আলো দিদাকে খাবার বেড়ে দিচ্ছে। মেঘ কে নিচু হয়ে খাবার দিতে গিয়ে আলোর ঘোমটা সরে যাই।রোদ মুখে খাবার দেওয়ার আগে মেঘের কথা শুনে রোদ অবাক হয়ে মেঘের দিকে তাকায়।

মেঘঃদাভাই আমাদের বাগান বাড়ির চাবিটা কোথায় আছে?আজকে থেকে আমি আর বউমনি ওখানেই থাকবো। তুমি আর এই বুড়িটা এই বাড়িতেই থাকো।আশা করি তোমার কোন সমস্যা হবে না।

রোদঃওই বাড়িতে থাকবি কেন?এখানে থাকতে কি সমস্যা হচ্ছে তোর?আর এভাবে এত বড় বড় কথা বলছিস কেন?মেঘ আমি কিন্ত এবার কান মলে দিবো তোর,,,,😠😠

মেঘঃআমার সমস্যা হচ্ছে সারাদিন তুমি অফিস থাকো জানে এই বুড়িটা বউমনির সাথে কেমন ব্যবহার করে,তুমি জানো একবার চা করে দিলে, তার হয় না তিনবারের বেলাতে এই বুড়িটা চা পছন্দ করে,কালকে কত কথা শুনিয়েছে তুমি জানো?বউমনি কোথায় কি করে আমি সব জানি,??কারন আমি জানি এই বুড়িটা বউমনির সাথে কত বাজে ভাষার কথা বলে,দাভাই আমাকে তোমরা ছোট ভাবলেও আমি কিন্ত খুব ছোট না আমি সব বুঝি।এই বুড়িটাও আমাকে দেখতে পারে না,সব সময় কেমন করে কথা বলে।তোমাকে বলি নাই তাই তুমি জানো না????

মেঘ একথা বলে চেয়ার থেকে উঠে খাবারের প্লেট টা আছাড় দেই,রোদ মেঘের এমন ব্যবহার দেখে উঠে দাড়ায় আর অবাক হয়ে তাকায় মেঘের দিকে,রোদ খুব ভাল করে জানে মেঘের এরকম করার পেছনে কারন আছে।রোদ মেঘের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে মেঘ পাশের ফুলদানি টা আছাড় দেই,সাথে পুরো কাঁচ গুলো ছড়িয়ে ছিড়িটে যাই,।রোদ কিছু বুঝতে পারছে না এসব কি হচ্ছে? আলো আর দিদাও দাড়িয়ে দেখছে সব,,,।রোদ মেঘের সামনে এসে দাড়ায়,,আর মেঘ রীতিমত রাগে ফুসছে,,।মেঘ রোদের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে,,

মেঘঃআমি আমার মাকে কাছে পাই নি,আমি আমার মায়ের মত বউমনিকে পেয়েছি।আমার কথা বলার সাথিকে পেয়েছি আমি মা কেমন হয় জানিনা,সেটা বউমনিকে পেয়ে বুঝেছি।আর আমার বউমনিকে কষ্ট দিলে আমি মেনে নিবো না।এখানে আসার আগে আমি বউমনিকে বলেছিলাম যে,বউমনি তোমাকে কষ্ট পেতে দিবো না।কিন্ত আমি কথা রাখতে পারি নি আজ।
রোদ মেঘের সামনে হাটু গেড়ে বসে, মেঘের দুই গালে হাত রেখে দেখে মেঘ কাদছে আর কথা গুলো বলছে,মেঘের দিকে তাকিয়ে,, রোদ বললো

রোদঃভাই আমার তোকে কে কি বলছে আমায় বল?তোর কি হয়েছে আমাকে বলবি না,আজ পযন্ত তোকে কষ্ট দেই নি,তোর চোখে পানি যাতে না আসে তাই।আর আমার সামনে তুই কাদছিস আমার খুব কষ্ট হচ্ছে ভাই।আমাকে খুলে বল কি হয়েছে তোর???

মেঘঃদাভাই এই বুড়িটা আজ বউমনিকে মেরেছে,দেখ কেমন গালে দাগ বসিয়ে দিয়েছে,আমার মায়ের গায়ে আজ হাত তুলেছে আর আমি চুপ করে থাকি কি করে বলো?আমার যে বুকে কষ্ট হচ্ছে দাভাই।

রোদঃকি?????????আমি যাদের জন্য বেচে আছি,আর আমার অজান্তেই ওদের সাথে এমন কষ্ট দেওয়ার মানে কি দিদা????তুমি আমার কথার উওর দাও, আমি তোমার থেকে এটা আশা করি নি।তুমি আলোর গায়ে হাত তুললে কেন?ও কি এমন অন্যায় করছে যে তুমি ওর হাতে হাত তুললে।

রোদ দিদার কাছে গিয়ে চিৎকার করে কথা গুলো বললো,দিদার মুখে আর কোন কথা নাই।রোদ আলো কাছে এসে মাথায় থেকে ওড়নাটা একটানে খুলে আলোর দিকে তাকিয়ে দেখে মেঘের কথাটাই সত্যি আলোর বাম গালে কারো হাতের দাগ বসে আছে।আলো মাথা নিচু করে চোখের পানি ফেলছে,রোদ আলোর কান্না মাখা মুখ দেখে ওর চোখেও পানি চলে এসেছে,অন্যদিকে মুখটা ঘুরিয়ে চোখের পানিটা আড়াল করে নিল।আলো এসব কখন হলো,জিম এর রুম থেকে তো আসলে তখন তো ছিল না,আর কি কারনে মেরেছে সেটা বলো।
দিদাঃবেশরমের মত কাজ করছে তাই ওরে শিক্ষা দিছি যেন এমন আর না করতে পারে তাই।আর তোরা দুভাই এমন করতে আছোস যেন মনে হইতাসে এই মাইয়াটা একবারে
ননীর পুতুল,গায়ে আর হাত তুলা যাইবো না।

রোদঃবেশরমের মত কাজ মানে কি আলো??উনি কি বলছে তুমি কি আমাকে খুলে বলবে, আমার মাথায় আর রাগ তুলিও না।যা জানতে চায়ছি সেটা উওর দাও ঠিকমত😠😠

আলোঃআসলে দিদা জিমের রুমে আমাদের,,, দেখে ফেলছে।তাই আমাকে সাবধান করে ফেলছে।আর উনি তো বড় আমাদের শাষণ করতে পারে তাই না,আপনি পিলিজ মাথা গরম করবেন না।

আচ্ছা এজন্য তোমার গায়ে হাত তুলবে উনি,রোদ মেঘকে ওর রুমে যেতে বললো,আর হাত দিয়ে ইশারা করে কোন কথা বলতে মানা করলো,মেঘ চলে যাওয়ার পরে রোদ দিদার সামনে গেলো।দিদার দিকে তাকিয়ে বললো,,

রোদঃ আচ্ছা দিদা তুমি কি কাজ টা ঠিক করছো?ওর গায়ে হাত না তুললেও পারতে, দেখছে আজ আলোর গায়ে হাত তুলছো আর আমার ভাই মেঘটা কত কষ্ট পাচ্ছে, কেন কষ্ট পাচ্ছে জানো কারন এই বেশরম মেয়েটাই ওকে খুব ভালবাসে, আদর করে তাই।আলোকে আমি বকা দিলে আমাকেও ছাড়ে না আর তুমি আজ আমার ভাইকে আমার কলিজার চোখে পানি পড়তে দেখেছি,কেউ তো কারো আপনার দিদাকেই বাসায় থাকতে দেয় না আর তুমি তো আমার দিদা বোন। তোমাকেও আপন দিদার মত ভাল বাসি,তাহলে তুমি এটা কেন করলে,তুমি তোমার আর পাচটা মেয়ের সাথে আলোকে গুলিয়ে ফেলছো দিদা,।আর ও তো ওর হাজবেন্ড এর সাথে পারসোনাল কিছু সময় কাটাচ্ছিল অন্য কোন ছেলের সাথে তো না।তাহলে ওকে এভাবে বেশরম বলার আর মারার কারন কি?এইমেয়েটার জন্য আমরা আবার হাসতে শিখেছি জানো?যখন একা থাকতাম কই একদিন তো খোজ নাও নি,তাহলে আজ কেন এসবের শিক্ষা দিতে এসেছো তুমি?আর আলো তুমি এসব মেনে নিলে কেন?আমি সরি ডিয়ার আমি বলছিলাম তোমাকে কষ্ট পেতে দিবো না কিন্ত আমি আমার কথাটা রাখতে পারলাম না।

আলো মেঘ আর রোদের কথাগুলো শুনে কাঁদছে,, কিন্ত এটা সুখের কান্না কতজন পারে এভাবে ভাল বাসাতে।আলোর মত এতিম একটা মেয়েকে, রোদ আর কিছু না বলে আলোর হাত ধরে টানতে টানতে নিজের রুমে নিয়ে গেল,রোদ আলোকে বিছানায় বসিয়ে দিলে স্যাভলন ক্রিমটা টা লাগিয়ে দিল,রোদ রাগে ফোস ফোঁস করছে সেটা ওকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে,,,

রোদঃআমি আমার এলোকেশীকে নিজের অজান্তেই কষ্ট দিয়ে ফেলছি।আলো আমাকে মাফ করে দাও, আমি ভুলে গেছিলাম যে কিছু কিছু মানুষ সুধরানোর মত না।আর আলো নিজের জন্য হলেও একটু প্রতিবাদী হওয়ার চেষ্টা করো সরল মানুষকে সবাই নরম কাদা ভেবে চটকাতেই থাকে। আর আমাকে বলো নি কেন দিদা তোমাকে বাজে ভাষায় কথা বলে এভাবে
আজকে উনার বাড়ি যাওয়ার ব্যবসথা করতে হবে।আমি আর আমার মেঘকেও কথা শোনায় এত বড় সাহস
আজ দিদা বলে ডাকি আর মহিলা বলে বেঁচে গেল আর তা না হলে আজ দেখিয়ে দিতাম, আমার এলোকেশীর গায়ে হাত তোলার শাস্তি কেমন হতো??
(রোদ চিৎকার করে বললো যেন সব কথা দিদার কানে যাই)

আলোঃআমার কোন কষ্ট হচ্ছে না, আপনি একটু শান্ত হন তো, আমার ব্যাথা লাগে নি,আমাকে ঘিরেআছে আপনাদের এতো ভালবাসা,আমাকে দূবল করতে পারবে না।দিদার মনও আমি জয় করেই নিবো আপনি দেখে নিয়েন।আর আপনি বসেন আমি আসছি মেঘকে খাওয়াতে হবে তো,তাই না,,

আলো ট্রেতে খাবার নিয়ে মেঘের রুমে ঢুকে দেখে মন খারাপ করে বসে আছে,আলো মেঘের হাত ধরে রোদের রুমে নিয়ে যাই,আর রোদ আজ কে মেঘের বলা প্রতিটা কথা বেশ ভাবাচ্ছে,রোদের রুমে এসে ধপাস করে বিছানায় বসে পড়লো, আর পুরো বিছানা কেঁপে উঠলো,এবার রোদের হুশ হলো,আলো মেঘকে বলছে যেন দাভাই মনটা ভাল করার চেষ্টা করতে কারন রোদের যে মন খারাপ তাই।রোদ মেঘের দিকে তাকালো মেঘ এসে রোদকে জড়িয়ে ধরে সরি বললো,রোদও আজ সরি বলল,,,।

আলো এসে ওদের খাওয়াতে বসলো,একটা মেঘে মুখে দিচ্ছে একবার রোদের মুখে,এবার রোদ আর মেঘ দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে দুইভাই এক সাথে খাবার আলোর মুখের সামনে ধরলো,আলো এবার কেঁদেই দিল।এত সুখ ছিল ওর কপালে এটা ভেবে, আলোর চোখের পানি ঝরছে।আলো দুভাইয়ের হাত একসাথে করে দুজনের খাবারই মুখে তুলে নিল,বেশি খাবার মুখে নিলে গাল গুলো ফুলে যাই সেরকম আলোও তাই হয়েছে,এটা দেখে রোদ আর মেঘ একসাথে 😂😂😂😂😂😂😂😂।আলো রাগী চোখে ওদের দিকে তাকালো,তারপর ওদের খাইয়ে দিয়ে, খাবার নিয়ে দিদার রুমে গেল,দিদাকে খাবার বেড়ে দিয়ে আলো চলে আসতেই,দিদা পেছন থেকে থেকে আলোকে ডাক দিল।আলো দিদার কাছে গিয়ে দিদাকে বললো,,

আলোঃদিদা আর কিছু লাগবে আপনার?লাগলে বলেন আমি এখুনি আপনাকে করে দিচ্ছি,,,।

দিদাঃআসলে আমি রাগ সামলাইতে পারি নাইকা তোমারে চড় দিয়া দিছি,আমি সত্যি জানতাম না মেঘ আর রোদ তোমাকে এত ভালবাসে, আমি তো আগেকার মানুষ আমি ভাবতাম বউদের শাষনে রাখলেই বউরা ভাল থাকে,কিন্ত না আজইকা দেখবার পারলাম যে মন থেইকা ভালবাসলে তাদের হাত রাখা যাই,,,।আমি তোমারে ভুল বুঝছিলাম, আমারে মাফ কইরা দিও।আমি ভুইয়া গিয়েছিলাম যে বউমনিও মা হয় আর মেঘের কথা শুইনা আমার বিবেক নাড়া দিছে।আর তুমি এতকিছুর পর আমার জন্য খাউন আনলা সত্যি তুমি ভাল মাইয়া।

আলোঃদিদা এভাবে বলবেন না,আমারো দিদা ছাড়া কেউ জীবনে ভালবাসে নি,আমার দিদিমাকেও আমি খুব ভালবাসতাম,আর দিদিমা আমাকে একা রেখে ওই দুর আকাশের তারা হয়ে গেছে,আর আমি ওদের দুভাইয়ের জন্য বেঁচে আছি, জানেন দিদা ভাগ্যের কেমন পরিহাস আমরা যারা ভালবাসার কাঙাল আমরা সবাই আজ একই সুতোয় বাধা পড়ে গেছি।

আলো আর কিছু না রুমের বাইরে চলে গেল।রোদ অফিসে চলে গেল,মেঘ আর রকি বাগানে গেল খেলতে,আলো রান্নাঘরে টুকটাক কাজ করছিলো, দিদা এসে আলোর পাশে দাড়ালো।আলোও দিদার সাথে কথা বলতে বলতে কাজ সেরে নিল।মেঘ কি করছে দেখার জন্য আলো আর দিদা বাগানে গেল, বাগানে চেয়ার পাতা আছে ওখানে বসলো।
মেঘ আর রকি কোথায় থেকে দৌড়ে এসে সুইমিং পুলে লাফ দিলো,আর পানি এসে আলো আর দিদাকে ভিজিয়ে দিল।আলো এসে মেঘকে বকা দিল এভাবে ভিজিয়ে দেওয়ার জন্য, মেঘ আর রকির তাতেও কোন খেয়াল নেই।আলো এবার বকা দেওয়াতে দুজনে উঠালো,

আলোঃমেঘ এভাবে সুইমিংপুলে এখন ভিজার মানে কি??😠😠

মেঘঃবউমনি মৌমাছির চাকে ঢিল মারছি এজন্য এভাবে দৌড়ে আসলাম।যদি আজ কামড়ে দিতো তাহলে পিংকির নামটা ভুলিয়ে দিতো।আর রকিটাও আমার দেখে লাফ দিসে,,😂😂😂😂😂😂😂😂

আলো ওদের তুলে আগে মেঘের মাথা মুখিয়ে দিল,মেঘকেchange করতে পাঠিয়ে, রকির মাথা মুছে দিল আর হেয়ার ড্রয়ার দিয়ে রকির বড় বড় পশম গুলো শুকিয়ে দিচ্ছে, কারন না শুকালে রকির ঠান্ডা লেগে যাবে আর পশুরা তো পানি সহ্য করতে পারে না।আলো রকিকে বকছে আর রকি সেগুলো মাথা নিচু করে শুনছে।দিদা এতক্ষণ আলোকে দেখছিলো।দিদা আলোর কাছে এসে দুপুরে রান্না সেরে রোদের অফিসে লাঞ্চ নিয়ে যেতে বললো।আলো প্রথমে না করলেও পরে রাজি হয়ে গেল।

মেঘও সাথে যাবে বলে বায়না ধরলো,আলো রোদের জন্য সরিষার তেল দিয়ে গরুর মাংসের বিরিয়ানী রান্না করলো।আবির ভাইয়ার জন্যও প্যাক করে নিল। আলোএটা দিদার কাছে থেকে জেনেছে যে রোদেরএটা খুব পছন্দের খাবার। আলো গোসল সেরে মেঘকে খাইয়ে দিয়ে নিজে রেডি হতে গেল,আলো একটা কালো কালারের সিল্ক এর শাড়ি পড়লো পাড়টা খুব চওড়া খয়েরী কালার।চুল গুলো বেধে হিজাব পড়ে নিলো,হাতের চিকনের মধ্যে চিকন কিছু চুরি পরে নিল, চোখে টানা করে কাজল দিল,আর ঠোঁটে হালকা লিপ বাম।নিজেকে একবার আয়নাতে দেখে লজ্জা পেয়ে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নিয়ে মনে মনে বলতে লাগলো,

আলোঃআজকে না জানি রোদ মশাই পাগলই না হয়ে যাই,আচ্ছা আজকে কি আমাকে সত্যি ভাল দেখাচ্ছে?? নাকি ওনার জন্য সাজলাম তাই নিজের কাছে নিজেকেই ভাল দেখাচ্ছে।
আলো মেঘের রুমে গিয়ে মেঘকে রেডি করিয়ে দিদাকে বলে বের হয়ে গেল।,,,,,,


চলবে……………♥

(আগের মত গল্পটা কি তোমাদের ভাল লাগছে না,যদি ভাল না লাগে তাহলে বলবে পিলিজ।কারন গল্পটাতে আর উৎসাহ পায় না,,,,😭😭😭।আর আমারো লিখতে ভাল লাগে না,আর বানান ভুল হয়ে থাকলে নিজ দায়িত্বে ঠিক করে নিবেন)

ভালোবাসার নতুন গল্প,
ভালোবাসার গল্প কাহিনী,
ভালোবাসার গল্প কষ্টের,
ভালোবাসার গল্প ,
আবেগি ভালোবাসার গল্প,
ভালোবাসার গল্প 2022,
বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প,
রোমান্টিক বিয়ের গল্প,
বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,
ভালোবাসার গল্প কাহিনী,
ধারাবাহিক গল্প,
রোমান্টিক ধারাবাহিক গল্প,
রোমান্টিক প্রেমের গল্প ,
ধারাবাহিক গল্প ,
Romantic story, romantic golpo,valobashar golpo, golperbandar,golper bandar,golperbandar.com,golperbandar new golpo,
গল্পের ভান্ডার, গল্পের ভান্ডার ডট কম,golpervandar,golper vandar ,golper vandar new story,golper vandar noton golpo,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here