এলোকেশী কন্যা পর্ব :- ৩৫ এবং ৩৬

0
286

গল্প :- এলোকেশী কন্যা
পর্ব :- ৩৫ এবং ৩৬
লেখা :- Nurzahan akter allo
.
.
.
-: আলো চিঠি হাতে নিয়ে রোদের রাগের কথা মনে পড়তেই আবার চিঠিটারেখে দিল।
রোদ আবিরকে ডেকে এসব বিষয়ে খোঁজ নিতে বললো,আবির চারদিকে লোক ছড়িয়ে দিয়ে। রোদ এবার নিজের মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ অচেনা লোকটিকে ধরার চেষ্টা করছে।
রোদ নিজের চেয়ারে বসে হাতে একটা পেন্সিল নিয়ে ওটা ঘুরাতে থাকে।

রোদ চোখ বন্ধ করে আলোকে কতবার বাইরে বের হয়েছিলো আর কবে থেকে চিঠি আসা শুরু করছে এটাই চিন্তা করছে।
রোদ চিন্তা করছে এটাই যে আলো অফিসে আসার পর থেকেই এই চিঠিটা আসা শুরু করেছে।
রোদ সেই দিনের সিসি ক্যামেরার প্রতিটা ফুটেজ চেক করলো।
আর রোদের অফিসের সব থেকে ভদ্র ছেলে রুদ্রকে ওর কেবিনে ডাকলো।
রোদ মাথা ঠান্ডা করে রুদ্রের সাথে কথা বলতে শুরু করলো।রুদ্র রোদের সামনে চেয়ার টেনে বসলো।

রোদঃরুদ্র এক কথা জানো তো বাবার ও বাবা থাকে।তুমি যে গেমটা শুরু করছো এটা এখন ফিনিস করো।
এটা আমি শুরু করলে তোমার জন্য খুব খারাপ হয়ে যাবে,রুদ্র আলো আমার কলিজা তুমি ওর দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছো,জানো তো কাল রাতে আলো আমাকে ঠান্ডা মাথা কাজ করতে বলছে,আর ওর থেকে আমি কাউকে ২য় সুযোগ দেওয়া শিখেছি।
রুদ্র তোমাকে আমিও একটা সুযোগ দিতে চায়,,,এবার তুমি দেখ এটা যদি তুমি মেনে নাও আলোর থেকে সরে যাও,তাহলে এই কথা তোমার আর আমার মধ্যেই থাকবে কেউ জানবে না।আর যদি না মেনে নাও তো রোদের অন্য রূপ তুমি দেখবে,,,।

রুদ্রঃআলোকে আমি দেখছিলাম প্রথম একটা শপিংমলে যখন আলো এইখানে নতুন আসে,,, ওকে আমার ভাল লেগেছে,আমিও আপনার থেকে কম টাকার মালিক নয়,আলোর খোঁজ নেওয়ার জন্যই আজ আমি এখানে এতদিন আপনার সাধারণ শ্রমিক হয়েই ছিলাম।
আজ যখন ধরা পড়ে গেলাম তাহলে এটাও বলে রাখি।রুদ্রর নজর যেখানে পড়ে সেটা নিয়েই ছাড়ে সেটা যে কোন মূল্যতে। রোদ মেহবুব এবার গেম হবে সামনাসামনি থেকে এবার দেখেন তো কে জিতে আর কে হারে,,,😎😎

রোদঃওহ রিয়েলী,,,,রোদ মেহবুবকে open challenge. Ohh good.okk তোমার challange exsepted,,,,তবে জানো তো আমার আবার ছোট খাটো চুনো পুটির সাথে গেম নামার কোন ইনটেস্ট নেয়,বাট তুমি যখন বলছো তাহলে তো তোমারও দেখা উচিত তুমি কার সাথে challenge করতে এসেছো।তুমি আমার এলোকেশীর দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছো,,,তোমাকে তো এমনিতেই ছাড়তাম না বাট,, এখন তো আর তোমাকে ছাড়ার কোন মানেই হয় না।

রুদ্রঃ😂😂😂😂😂 রোদ মেহবুব তোমার সাথে লড়ার জন্য আমি রুদ্র এসে গেছি।
এবার তো দেখতে থাকেন কার ভাগ্যতে আছে সেই রুপবতী কন্যা, আমার তাকে চায় মানে চায়ই,,,,😎😎😎😎

রুদ্র এটা বলে রোদের দিকে তাকিয়ে একটা শয়তানি হাসি দিয়ে চলে গেল।
কারন আজ থেকে তো আর এখানে অভিনয় করে জব করার কোন মানেই হয় না তাই।
রুদ্র রোদের মত একটা সুদর্শন একটা ছেলে যেমন দেখতে তেমন মাথায় শয়তানি বুদ্ধি।
রুদ্রর বাবা শাহিদ চৌধুরীর একমাএ অসভ্য ছেলে হচ্ছে রুদ্র, যে জিনিস ওর পছন্দ হবে সেটা নিতে তার যত নিচে নামা দরকার সে নামতে পারে।

রোদও শয়তানি হাসি দিয়ে আবিরকে ডেকে রুদ্রর সবথেকে দূবল পয়েন্ট কি এটা জানতে বললো?
শএু যখন হয়েছে তাহলে তাকে সব দিকে দিয়ে অক্টোপাসের মত ঘিরে নেওয়াটাই শ্রেয়। রোদ এবার রুদ্রের পেছনে লোক লাগিয়ে দিলো কখন কি করছে?কখন কোথায় বের হচ্ছে? সব খবর যেন রোদ আগে পায়।রোদ কে রুদ্র চিনে না রোদ কি চিজ?আবির রোদকে ফোন দিয়ে রুদ্রের কিছু খবর জানালো আর রোদ সেটা শুনে শয়তানি একটা হাসি দিল।

ওদিকে আলো সব কাজ সেরে পড়তে বসলো কারন ওকে যে রোদের চাওয়াটা পূরণ করতেই হবে।সাওয়ার নিয়ে আলো ওর চুল ছেড়ে জানালা ঘেষে পড়তে বসলো মেঘ আর কিছু সময় পর বাসায় ফিরবে।
আলো খুব মনোযোগ পড়ছে,রোদ আলোকে নিয়ে কোন রিস্ক নিতে চায় না, এজন্য রোদ পুরো বাড়িটা সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে নিতে বললো।

আর ওদিকে রুদ্রের লোক রোদের অফিস থেকে শুরু করে বাড়ির প্রতিটা লোকের খবর নিয়ে ফেলছে।
রুদ্রও এবার উটে পড়ে লাগছে আর বড় কথা রোদের বাড়ির একজন রান্নার বুয়া রুদ্রেরই লোক,,,,আলোর প্রতিটা খোঁজ রুদ্র কাজের বুয়ার থেকেই পাচ্ছে এমনকি রোদ যে সিসি ক্যামেরা গুলো লাগিয়েছে ওটাও রুদ্র জেনে নিয়েছে।মেঘ ওদিকে পিংকির সাথে কালার পেন্সিল নিয়ে ঝগড়া করছে,,

পিংকিঃমেঘ তুমি এই দুষ্টু কেন?এভাবে কালার গুলো নষ্ট না করে আমাকে দিয়ে দিতে,,,

মেঘঃওহহ তুমি আমাকে এভাবে থ্রেট দিলে আর তোমাকে এমনি এমনি দিয়ে দিবো।পিংকি তুমি এত লোভী কেন?,,

পিংকিঃতুই আমাকে লোভী বললি,,,তোর এত বড় সাহস😠😠।দারা আজ তোকে টিচারের থেকে মার খাইছে নিয়েই ছাড়বো,আর তা না হলে আমার নামও পিংকি না😠😠।

মেঘঃদেখা যাক কে কাকে মার খাওয়াই,তোকে আজ আমি মার খাওয়েই ছাড়বো দেখিস,,, আর তোকে শাকচুন্নি বলেই ডাকবো😝😝😝😜😜😜😜😜।

মেঘের ক্লাস চলাকালীন মেঘ ফট করে উঠে দাড়িয়ে টিচারকে ডেকে বলে,,,

মেঘঃম্যম পিংকি আমাকে চোখ মারছে,কত করে বললাম আমরা ভাই বোনের মত এসব করো না।তারপরেও আমাকে চোখ টিপ দিচ্ছে,,,। আজ আমার খুব লজ্জা করছে এবার আপনি ওকে কিছু বলেন,,,।

পিংকিঃ😱😱😱😱😱😱😱😱 মেঘ তুমি এসব কি বলছো?আমি কখন তোমাকে চোখ টিপ দিলাম।ম্যম ও মিথ্যা কথা বলছে, আমি এটা করি নি ম্যম😭😭😭😭😭😭

মেঘঃতাহলে হুট করে তোমার নামে মিথ্যা বলে লাভ কি??এসব করে আমার কি লাভ বোন বলো তো?

টিচারঃড়পিংকি এখনই মেঘকে সরি বলো,,,আর এসব যদি আর কখনো যেন না শুনি,,,।

পিংকিঃসসস,,,,রি😭😭😭😭😭

মেঘঃবোকা মেয়ে বলো,,, সরি মেঘ ভাইয়া এই কথাটায় বলো,,।

পিংকিঃসরি মেঘ ভাইয়া (মেঘ তোরে যদি শিক্ষা দেয় তো আমার নামও পিংকি না,আজ থেকে আমার একটাই কাজ তোরে মার খাওয়ানো)

মেঘঃ😎😎😎😎😎😎(শাকচুন্নি 😂😂😂😂😂😂মনে মনে)
.
.
#Part :- 36
.
.
রুদ্র আর রুদ্র দুজনেই ওরা ওদের মত করে আলোকে পাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগছে।
রোদ বাসায় এসো আলোকে ডেকে পানি চায়লো,আলো রোদের কাছের পানি নিয়ে গেল।রোদ পানিটা খেয়ে উঠে ওয়াশরুমে চলে গেল।আলো রোদের জন্য কফি আনতে গেল।

রোদ সাওয়ারের নিচে দাড়িয়ে মনে মনে রুদ্রকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য কিছু পরিকল্পনা করে ফেললো,আবার রোদ এটাও চিন্তা করছে আলো যদি জানে এসব কিছু তাহলে আলো নিজেকে দোষারোপ করা শুরু করবে,রোদ আর কিছু না ভেবে ফ্রেস হয়ে দেখে আলো কফি হাতে দাড়িয়ে আছে।রোদ রুমে এসে দাড়াতেই রোদের ফোন বেজে ওঠে, রোদ একবার আলোর দিকে তাকিয়ে ফোন রিসিভ করে।আলো বুঝতে পেরেছে এটা রোদের জরুরি কোন ফোন কল হবে এজন্য রোদের ইশারায় নিচে আসতে বলে, আলো নিচে চলে গেল।

আবিরঃস্যার রুদ্রের একটা ভাইও আছে কিন্ত রুদ্রের সাথে কোন রিলেশন রাখে নি, রুদ্রের এইরকম জানোয়ারের মত ব্যবহারের জন্য, রুদ্রের বাবা রুদ্রের সবথেকে দূবল পয়েন্ট, রুদ্র ওর বাবা ছাড়া কিছু বোঝে না ওর বাবাকে রুদ্র অনেক সিকিউসিটি মধ্যে রাখে,তবে রুদ্র খুব টেলেন্ট একটা ছেলে,ও যখন কিছু চায় তবে সেটা সে এমন ভাবে আদায় করে নেয় যে,ওর কোন দোষ ও রাখে না।
রুদ্র এখন বোনের(আলোর) প্রতি খুব দূবল।রুদ্র সবসময় আলো কি করছেন না করছে সব তথ্য ওর কাছে কি করে যেন পৌছে যাচ্ছে।

রোদঃ হুমমম tnx abir,,দেখ আর কিছু জানতে পারলো আমাকে জানিও।

রোদ ফোনে কথা বলা শেষ করে নিচে গেল,মেঘে আর রকি দুষ্টুমিতে মেতে উঠেছে,,, আর কিছু সময় পর ওরা রাতে ডিনার করে নিল।তারপর যে যার মত রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লো,,,,প্রায় রাত ১ টার দিকে হঠাৎ রকির গলার আওয়াজ শোনা গেল,,রোদ একবার আলোর দিকে তাকিয়ে রকি এভাবে চিৎকার করছে কেন দেখার জন্য বের হয়ে গেল,,কিন্ত রকিকে কোথাও দেখা গেল না,রোদ একপা করে পা বের হতেই দেখলে মেইন গেইট খোলা,,রোদ আর একটু সামনে এগোতেই দেখলো রকি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
রোদ রকির কাছে দৌড়ে গেল, মেঘের রকির চিৎকারে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল, মেঘও ওর রুমে থেকে বের হতেই ড্রয়িং রুমের লাইট জলতে দেখে মেঘও এসে ঘুম ঘুম চোখে সামনে তাকাতেই রোদ আর রকিকে দেখতে পেল।মেঘ দৌড়ে রকির কাছে গেল,,,,

মেঘঃদা,,,ভাই আমার রকির কি হলো দাভাই?তুমি কি আমার রকিকে মেরে ফেললে নাকি দাভাই,,,,আমার রকিকে কে মারলো।রকি এই রকি ওঠ না রকি,,,,তোকে আর মারবো না।
রকি তোকে সব ডোরেমন কেক দিয়ে দিবো তাও তুই ওঠ না।ওহহ দাভাই আমার রকিকে কে এভাবে এত কষ্ট দিলো দাভাই। আমি জানি না আমার কাছে আমার রকিকে ফিরিয়ে এনে দাও । 😭😭😭😭😭😭😭😭

মেঘের চিৎকার করে কান্নার শব্দে আলোর আর দিদা ওঠে পড়ছে,আর এক দৌড়ে মেঘের কাছে এসে দেখে রকি এই অবস্থা।
আলো গিয়ে মেঘ কে জড়িয়ে ধরে, আর মেঘ রকির গলা ধরে চিৎকার করে কাঁদছে।রোদ এসে মেঘকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে,,,

রোদঃভাই আমার চুপ কর,আমি আবার আর একটা রকি এনে দিবো তোকে, এভাবে কাদে না, আমি তোর কান্না সহ্য করতে পারবো না ভাই।আমার মেঘ তো অনেক শক্ত, এভাবে অল্পতে ভেঙে পড়ে না।চুপ কর ভাই আমার এভাবে কাঁদে না।

রোদ একজন কে ফোন দিয়ে রকির বডিটা নিয়ে যেতে বললো,,,আর পশু হাসপাতালে নিতে ইমিডিয়েট।যদিও রকির কোন বাঁচার কোন সম্ভবনা নেই,,,।
।মেঘ তো রকিকে ছাড়তে চায়ছে না,গলা ধরে মুখে কিস করেই যাচ্ছে। এটাই তো ওর একমাত্র খেলার সাথি ছিল,ওর সাথে কত খুনশুটি কত রাগ, কত দুষ্টুমি।
রোদ মেঘের কান্না সহ্য করতে পারছে না দেখে রোদও মেঘকে ধরে কেঁদে দেয়।
রকির বডি টা নিয়ে যাওয়ার সময় রোদ মেঘকে ধরে রাখতে পারছে না।
রকির বডিটা একজন নিয়ে চলে গেল,রোদ মেঘকে কোলে নিয়ে রোদের রুমে নিয়ে গেল।আলো এসে বসতেই মেঘ আলোর কোলে ঝাপিয়ে পড়লো,,,,বউমনি বলে।আলো মেঘের মাথা ওর কোলে মাথা তুলে নিলো,,,

মেঘঃবউমনি আমার রকিকে কে যেন মেরে ফেললো? বউমনি আমি আমার রকিকে খুব ভালবাসি বউমনি।দাভাইকে বলো না বউমনি আমার রকি কে আমাকর কাছে এনে দিতে।বউমনি আমি আর দুষ্টুমি করবো না সত্যি বলছি,আমার উপর রাগ করে রকি মনে হয় মরে গেল।আমিও মরে যাবো,,,😭😭😭😭😭😭😭😭😭

রোদঃমেঘঘঘ,,ভাই আমার এসব বলিস না ভাই।তোর কিছু হলে আমিই তো নিজে মরে যাবো মেঘ।

রোদ আর কিছু না বলে আলমারি খুলে ওর রিভালভারটা নিয়ে হনহন করতে করতে বাসা থেকে বের হয়ে গেল।আলো রোদকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারে নি,রোদের লোকজন কাজের বুয়াকে ধরে ফেলছে কারন রকিকে বুয়াই শুট করছে।রোদ ওর বাগান বাড়িতে এসে একটা কালো কালারের বুলেট প্রুফ ড্রেস পড়ে নিল,আর নিজের একটা গাড়ি নিয়ে রুদ্রের বাসার উদেশ্য বের হয়ে গেল,রোদের বডিগার্ড রা আবির করে ফোন করে সব জানালো আবির আরো কিছু বডিগার্ড নিয়ে ওরাও রুদ্রের বাসার দিকে চললো,,

রোদ এসে রুদ্রের বাসার প্রাচীল টপকে পেছন দরজা দিয়ে বাসায় ঢুকে, ধীর পায়ে রুদ্রের রুমে প্রবেশ করলো,রুদ্রের রুমে ঢুকতেই রোদ ভুত দেখার মত চমকে ওঠে,,,,।
কারন রুদ্র সেন্টার টেবিলের উপর পা তুলে বসে আছে,আর তার সামনে মেঘ আর আলোকে চেয়ারে বসিয়ে রাখছে।রোদ সাইড করে নিজেকে সাইড করে নিল,আর একটা সিসি ক্যামেরা রুদ্রের রুমের এক কোনায় আটকে দিল।
কারন এখানে কিছু করা যাবে না এখানে মেঘ আর আলো আছে।ওরা খুব ভয় পাবে এজন্য রোদ ধীর পায়ে আবার বের হয় গেল কারন এখন রুদ্রের কাছে ওর দুইটা জীবন আছে,রোদ এসে আবিরকে দেখতে পেলো।রোদ আর আবির মিলে ওদের আস্তানায় চলে গেল,,,,।

রোদ রুদ্রে ফোন করে মিট করতে বললো আলোকে ওর হাতে তুলে দিবে বলে,,, আর আবিরকে এই ফাকে আলো আর মেঘকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে নিতে বললো।রুদ্র বাসা থেকে বের হতেই রোদ নিজে এসে শুট করা শুরু করলো, আলো আর মেঘকে নিয়ে আবির পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল।রোদ এবার রুদ্রের বাবাকে নিয়ে রোদ ওর বাগান বাড়িতে আটকে রাখলো।এবার রোদ দেখবে রুদ্রের প্রাণ ভোমরা ওর কাছে,, এবার দেখা যাক কেমন করে ওর বাবাকে উদ্ধার করে,,,,।রুদ্র তুই কার সাথে লাগতে এসেছিস তুই নিজেও জানিস না,,এই রোদ মেহবুব এর কলিজা মেঘ মেহবুব কে তুই কাঁদিয়েছিস।এবার দেখ তোকে কেমন খেলায়,,,। রুদ্র ওর বাবার কে না পেয়ে আরো হিংস্র হয়ে ওঠে, রুদ্র পাগলের মত ওর বাসায় এসে ভাংচুর শুরু করলো।
.
.
.
চলবে,,,
.
(যাদের গল্প টা এখন সিনেমা মনে হবে তারা ইগনোর করুন,কারন এই সিনেমা নিজের মত করে সাজিয়ে লিখতেও অনেক কষ্ট হয়,আর সিনেমা বললে কষ্ট টা আরো বেশি লাগে কেমন,,,,,,)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here