কিশোরী_মাফিয়া লেখক_আকাশ_মাহমুদ পর্ব_২

0
38

কিশোরী_মাফিয়া
লেখক_আকাশ_মাহমুদ
পর্ব_২

–হুট করেই সে আমার হাতটা উঠিয়ে নিয়ে তার নরম ঠোঁট দিয়ে চুমু খেতে আরম্ভ করলো!মেয়েটার এমন আচরণে আমি যেনো আর আমার মধ্যে নেই!হারিয়ে গেছি কোনো এক কল্পনার রাজ্যে!কিন্তু হুট করেই সে আবার মুহূর্তের মধ্যে আমার হাত ঝাড়ি দিয়ে দূরে ঠেলে দেয়!অবাকের চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছি আমি মেয়েটার এমন আচরণে!তখনি সে নরম সুরে বলে…

–দেখুন আপনি কিছু মনে করবেন না!আসলে আমি বেখেয়ালি ভাবে এমনটা করে ফেলেছি!কিন্তু সত্যি বলতে আমার অনেকটা খারাপ লাগছিলো আপনার হাতে চাকু দিয়ে আঘাত করার পর থেকে!তাই হয়তো নিজের খেয়াল হারিয়ে বেখেয়ালি হয়ে গিয়েছি!প্লিজ আপনি কিছু মনে করবেন না।

–আমি মেয়েটার দিকে চোখ পাকিয়ে তাকিয়ে আছি!
কারন তার কথাবার্তার ধরন এতোটা সুন্দর,যে তার থেকে চোখ ফেরাতেই ইচ্ছে করছে না!

–এই যে মিস্টার,কোথায় হারিয়ে গেলেন আপনি?

–এবার মেয়েটার বেখেয়ালি ভাবটা আমার মধ্যে বিরাজ করেছে।এই যে মেয়ে,তুমি চাইলে আরো চুমু খেতে পারো।আমার কোনোই কোনো আপত্তি নেই তাতে।ইচ্ছে হলে সারাদিন আমাকে তোমার সামনে বসিয়ে রেখে তোমার নরম ঠোঁটের ছোঁয়া তুমি আমার হাতে দিতে পারো।এতে আমি বিন্দু পরিমাণ ও রাগ করবো না।
.
আকাশের কথায় মেয়েটা চোটে যায়!সে রাগান্বিত সুরে আকাশকে বলে…

–এই যে মিস্টার,কি সব উল্টো পাল্টা কথাবার্তা বলছেন আপনি হ্যাঁ?মাথা টাথা কি খারাপ হয়ে গেছে নাকি আপনার?আর আমি আপনার হাতে সারাদিন চুমু খাবো মানে কি?

–মেয়েটার রাগান্বিত কন্ঠ শুনে বেখেয়ালি ভাবটা মুহূর্তের মাঝেই উল্টো রাস্তা ধরে পালিয়েছে আমার।
না,মানে আসলে,,,

–রাখুন আপনার আসলে টাসলে।আপনার কোনো কথা শোনার এই ইচ্ছে নেই আমার।সো আপনি এখন এখান থেকে চলে যান।

–আরেহ তুমি এতো রাগ করছো কেন!দেখো আসলে আমি কথাটা ইচ্ছে করি বলিনি।

–আমি রাগ করছি কারন আপনি রাগ করার মতোই কথা বলেছেন।আর আমার রাগটা একদম সস্তা।যখন তখন চলে আসে।তাই এলাকার মানুষ সবাই অনেক সাবধানে কথাবার্তা বলে আমার সাথে।আর সেই সবার মাঝে আমার বাবাও রয়েছে।যদিও আমি কখনো আমার বাবার সাথে রাগারাগি করি না,কিন্তু তার পরেও তিনি আমার সাথে হুঁশ করে কথাবার্তা বলেন।

–আসলে সরি আমি।

–সরির কোনো প্রয়োজন নেই।প্লিজ আপনি দয়া করে এই গ্রাম থেকে চলে যান।আর কখনো এই গ্রামে আসবেন না আপনি।

–আরেহ মেয়ে তুমি এতোটা রেগে যাচ্ছো কেন,প্লিজ শান্ত হও।

–দেখুন এবার কিন্তু সত্যিই আমার রাগ উঠে যাচ্ছে!আমি আপনাকে বলেছি এখান থেকে চলে যেতে।আপনি যদি এখন আমার কথা না শুনেন,তাহলে কিন্তু অনেক ভয়ংকর কিছু ঘটবে।

–আচ্ছা ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি।

–হুম চলে যান।

–মেয়েটার বাসা থেকে উঠে বেরিয়ে এলাম।মেয়েটা আমার পিছনে পিছনে তার বাড়ির দরজা পর্যন্ত এসেছে।আর আমি মঞ্জুর ভাইয়ের কাছে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হয়েছি।কিন্তু হুট করেই মনে পড়লো,যে মেয়েটার নামটাই জানা হলো না।আবার পিছনে ফিরে মেয়েটাকে ডাক দিলাম।এই যে…

–আবার কি হয়েছে হ্যাঁ?

–একটা প্রশ্ন ছিলো।এতো কিছু হলো,কিন্তু তোমার নামটাই তো জানা হলো না।তোমার নামটা একটু বলবে প্লিজ?

–আমার নাম ঈদনি।

–কিসে পড়ো তুমি?
.
আকাশের পাল্টা আরেকটা প্রশ্ন শুনে ঈদনি চরম রেগে যায়!যার ফলে সে কোমড়ে গুঁজে রাখা চাকুটা বের করে আকাশকে দেখিয়ে বলে..

–এই বেটা,তুই আমাকে একটা প্রশ্ন করবি বলে পাল্টা দ্বিতীয় প্রশ্ন কেন করছিস?যা ভাগ এখান থেকে।

–আরেহ বলো না প্লিজ…

–ঐ বেটা তুই কি এখান থেকে যাবি,নাকি এসে চাকু দিয়ে তোর ভাঁড়াল নামাবো?

–আরেহ চলেই তো যাবো।থাকতে তো আর আসিনি এখানে।তুমি আমার দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরটা দেওয়া মাত্রই আমি চলে যাবো।

–আমি অষ্টম শ্রেণির পরিক্ষা দিয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলাম,কিন্তু কিছু কারনে গতবছর পড়ালেখা ছেড়ে দিয়েছি।যা এবার তোর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর ও দিয়েছি।সো এলাকা ছাড় তুই আমার..

–আমি আর কোনো প্রশ্ন না করে সেখান থেকে চলে আসলাম।যদিও মনের ভিতরে আরো অনেক কয়টা প্রশ্ন ছিলো,কিন্তু মেয়েটার রাগান্বিত চেহারা দেখে প্রশ্ন গুলো নিজের ভিতরেই রেখে দিয়েছি।হাঁটতে হাঁটতে গ্রাম ছেড়ে প্রায় মঞ্জুর ভাইয়ের কাছেই চলে এসেছি।
তখনি একটা মুরুব্বি টাইপস লোক পিছন থেকে আমাকে ডাক দেয়।

–সাহেব একটু দাঁড়ান কথা আছে আপনার সাথে।

–লোকটার ডাক শুনে দাঁড়িয়ে গেলাম।আর লোকটা আমার দিকে এগিয়ে আসলো।জ্বি বলুন?

–সাহেব কিছু মনে না করলে আপনাকে একটা কথা বলতাম।

–জ্বি বলুন।

–সাহেব আপনি যেই মেয়েটার সাথে গ্রামে ঢুকেছেন তার নাম হলো ঈদনি।আর আমি হলাম তার বাবা।

–ওহ আচ্ছা….

–সাহেব মেয়েটা কিন্তু আমার অনেক লক্ষী।কিন্তু আবার একটু বদ মেজাজি ও।তার রাগের জন্য তাঁকে গ্রামের সবাই ভয় পায়।এমনকি তার এই রাগের জন্য গতবছর স্কুল থেকেও তাঁকে আমার বের করে আনতে হয়েছে।কিন্তু বিশ্বাস করুন সাহেব,তার রাগের চাইতেও বেশি উদার তার মন।গ্রামে কোনো মানুষের সমস্যা হলে সে সবার প্রথম গিয়ে তার পাশে দাঁড়ায়।এমনকি আমার পকেট থেকে পর্যন্ত টাকা নিয়ে গিয়ে গ্রামের মানুষের সাহায্য করে।

–যাক মাশাল্লাহ ভালোই গুন রয়েছে মেয়েটার মধ্যে।
কিন্তু কথা হলো আপনি ঈদনির বায়োগ্রাফি আমায় কেন শোনাচ্ছেন?

–সাবেহ আপনার এই কথার উত্তরে আবারো আপনার থেকে অনুমতি নিতে হবে,যে আপনি আমার এই কথায় ও কিছু মনে করবেন না।

–হুম বলুন কিছু মনে করবো না আমি।

–সাহেব আমার বয়সটা না এমনি এমনি হয়নি।মানুষের চোখ দেখেই না অনেক কিছু বলে দিতে পারি আমি।

–মানে কি?

–সাহেব মানেটা না হয় নাই বা বললাম।

–লোকটার কথা শুনে চরম অস্বস্তি লাগছে!আচ্ছা আমি চললাম আমার একটু কাজ আছে।তাছাড়া গার্ড আমার জন্য গাড়ি নিয়ে বহু সময় যাবৎ অপেক্ষা করছে।

–ঠিক আছে সাহেব ভালো থাকবেন।

–লোকটার সাথে কথা শেষ করে গ্রাম ছেড়ে মেইন রোডে গাড়ির কাছে চলে এসেছি।তারপর মঞ্জুর ভাইকে সাথে নিয়ে সোজা বাসায় এসে পড়লাম।বাসায় এসে নিজের রুমে শুয়ে শুয়ে রেস্ট করছি।বাসার মধ্যেই সারাটাদিন কাটিয়ে দিলাম।দেখতে দেখতে দিনের আলো নিভে গিয়ে রাতের আঁধার ঘনিয়ে এলো।
মা’নাস্তা নিয়ে রুমে এসেছে।

–কি বাবা,তুই সারাদিন রুমে শুয়ে বসে কি করছিস?
নিচেও তো যেতে পারিস সবার সাথে কথাবার্তা বলার জন্য।

–না,মা তেমন কিছুনা।আসলে ইদানীং কেন জানি শুয়ে-বসে থাকতেই ভালো লাগে।

–এই,এই না,না এটা করা যাবে না একদম।শরীরকে অলস বানানো মোটেও ভালো কথা নয় কিন্তু।

–আরেহ না মা’তেমন কিছু না।এমনিতেই শুয়ে ছিলাম আজকে।আর কাল থেকে তো কলেজ আর অফিস যাবো ভাবছি।

–হুম ঠিক আছে।যদি সুস্থ মনে হয় শরীর,তাহলেই সব কিছু আবার কন্টিনিউ কর।আচ্ছা নে এবার মুখ খোল,তোকে নাস্তা গুলো খাইয়ে দিয়ে নিচে যেতে হবে আমার আবার।

–মা’আমায় নাস্তা খাইয়ে দিয়ে নিচে চলে গেলো।আর আমি ফোন হাতে নিয়ে কিছুটা সময় ফেসবুকিং করলাম।সন্ধ্যা কেটে গিয়ে মধ্যরাতের প্রহর শুরু হয়েছে।মা’আমায় আবার টাইম করে এসে খাইয়ে দিয়ে গেলো।আমি ঔষধ খেয়ে ঘুমানোর উদ্দেশ্যে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছি।কিন্তু ঘুম যেনো আসতেই চাইছে না!
বিছানার এপাশ-ওপাশ ছটফট করছি খালি!তখনি মনের ভিতরের ভাবনা চিন্তা গুলো সেই মেয়ের দিকে মোড় নিলো!শুয়ে শুয়ে তার কথা ভাবছি।ইশ কি মায়াবী চেহারা মেয়েটার!জানিনা কেন জানি মেয়েটাকে নিয়ে ভাবতেই ইচ্ছে করে খালি!তাঁকে নিয়ে ভাবলে কেমন যেনো নিজের দুনিয়া ভুলে গিয়ে অন্য দুনিয়ায় চলে যাই আমি!এই যে দেখেন ছটফট করছিলাম বিছানায় শুয়ে শুয়ে,কিন্তু মেয়েটাকে নিয়ে কল্পনা-জল্পনা করতেই ছটফটানি ভাবটা কোথায় যেনো উধাও হয়ে গিয়েছে!মেয়েটাকে নিয়ে মনের ভিতরে একটা কল্পনার রাজ্য তৈরী করলাম।কিন্তু হুট করেই সেই রাজ্যে ভাঁটা পড়লো!এই আমি কি পাগল-টাগল হয়ে গেলাম নাকি!মনে তো হচ্ছে তাই হয়েছি!না হয় এতো টুকু একটা মেয়েকে নিয়ে আমার মনে কিসের এতো ফিলিংস!কোথায় আমার বয়স ২১-২২!আর সেই মেয়ের বয়স ১৪-১৫!মনের ভিতরে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে!কারন মেয়েটার বয়সের কথা চিন্তা না করে তাঁকে নিয়ে কল্পনার রাজ্য তৈরী করছি আমি!নাহ আমার এটা ঠিক হচ্ছে না!কিন্তু আবার মন ও মানছে না!দুনিয়ার সমস্ত অস্থিরতা বিরাজ করেছে আমার মধ্যে!কি করবো ভেবে পাচ্ছি না!মাথা পুরো জ্যাম খেয়ে আছে!নাহ এখন ঘুমিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।সকাল হলে ঠান্ডা মাথায় ভাববো মেয়েটাকে নিয়ে।চিন্তা-ভাবনা মতন ঘুমিয়ে পড়লাম।
.
সকাল হতেই ঘুম থেকে উঠেই সেই বিষয়টা নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম।কিছুক্ষণ ভাবতেই একটা সলিউশন বেরিয়ে এলো।যে সব সময় দুনিয়ার সমস্ত কিছু নিয়ম মাপিক হয় না।কিছু সময় অনিয়ম করেও অনেক কিছু হয়।আর আমিও না হয় অনিয়ম করে মেয়েটাকে আপন করবো।হ্যাঁ অপ্রত্যাশিত ঘটনা আমিই রটাবো মেয়েটাকে আপন করে নিয়ে।তারপর রেডি হয়ে গাড়ি নিয়ে কলেজে চলে গেলাম।কলেজে যেতেই প্রিন্সিপালের ডাক পরলো….
তাই স্যারের রুমে চলে গেলাম।জ্বি স্যার বলুন আমায় কেন ডেকেছেন?

–আকাশ আসলে একটা সমস্যায় পড়েছি আমি।

–কি সমস্যা স্যার?

–কিছুদিন আগে তো পুরো কলেজের পরিক্ষা হয়েছে।
সেই পরিক্ষায় প্রথম সেমিস্টারে একটা মেয়েকে আঁটকেছি আমি।কারন সে অনেক কয়টা বিষয়ে ফেল করেছে।কিন্তু আজ তার ভাই ছেলেপেলে নিয়ে আমার পথ আঁটকে আমায় শাসিয়েছে।যে তাঁকে যদি সেকেন্ড ইয়ারে,মানে তোমাদের ক্লাসে না উঠাই,তাহলে সে আমার বারোটা বাজাবে।সে আমাকে আজকের দিনটা সময় দিয়েছে।আমি বাড়ি ফেরার পথে নাকি তারা আমায় আবার আটকাবে।এখন কি করবো বলো তো আমি?আমি তো নিয়মের বাহিরে গিয়ে কিছু করতে পারবো না।

–স্যার দেখুন নিয়মের বাহিরেও কিন্তু অনেক কিছু হয়।কিন্তু আপনার বিষয়টা যেহেতু বাধ্যতামূলক,তাহলে তো আপনাকে আপনার কাজ এই করতে হবে।

–কিন্তু তারা তো আমায় আজকের দিনটা সময় দিয়েছে।আমি যদি তাঁদের কথা না শুনি,তাহলে তারা আমার ক্ষতি করে দিবে।প্লিজ আকাশ তুমি আমাকে এই বিষয়ে কোনো একটা সাহায্য করো।

–ঠিক আছে স্যার কলেজ শেষে আজ আমি আপনার সাথে যাবো।

–আচ্ছা ঠিক আছে।

–তারপর আমি ক্লাসে চলে আসলাম।সব কয়টা ক্লাস শেষ করে প্রিন্সিপালের সাথে তিনার গাড়িতে করে তিনার বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।তখনি দেখি বাজারের মোড়ের মধ্যে অনেক কয়টা ছেলেপেলে লাঠি চোটা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

–আকাশ দেখো ঐ যে ছেলে গুলো।

–স্যার আপনি আমার সাথে আসেন।স্যারকে নিয়ে গাড়ি থেকে নামতেই ছেলেপেলে গুলো আমাদের দিকে এগিয়ে আসলো।তখনি তাঁদের থেকে একজন ছেলে বলে উঠলো…

–স্যার আমার বোনকে সেকেন্ড ইয়ারে উঠিয়েছেন তো?
.
প্রিন্সিপাল চুপ করে আছে।কিন্তু আকাশ কথা বলে উঠে।

–ভাই দেখেন ফেল করলে উপরে উঠানোর কোনো নিয়ম নেই।আর তাছাড়া আপনার বোন অনেক কয় বিষয়ে ফেল করেছে।সো স্যার আপনার বোনকে উঠাতে পারবে না।

–এই বেটা প্রিন্সিপাল উঠাবে তো তার বাপ ও উঠাবে।আর তুই কে রে?তুই আমাদের মাঝে খামোখা এসে বা-হাত কেন দিচ্ছিস?

–ভাই ঠিকঠাক মতন কথা বল।না হয় কিন্তু….

–না হয় কিন্তু কি?কি করবি তুই?
.
ছেলেটার কথা শুনে আকাশের মেজাজ চোটে যায়!
সে কোমড় থেকে পিস্তল বের করে সোজা গিয়ে সেই ছেলের কলার চেপে ধরে….

–বল এবার কি বলবি?
.
ছেলেগুলো আকাশের হাতে পিস্তল দেখে ঘাবড়ে যায়!
যার ফলে ছেলেগুলো একদম চুপচাপ হয়ে যায়!কিন্তু আকাশ চুপসে থাকার পাবলিক নয়।কারন বেয়াদবের সাথে বেয়াদবি করা সে ভালো করেই জানে।তাই সে সেই ছেলেটার কলার ছেড়ে দিয়ে গালের মধ্যে কোষে একটা লাগিয়ে দেয়।তারপর বলতে থাকে…

–স্যারের সাথে অসভ্যের মতন আচরণ করলি কোন সাহসে তুই?কতো বড় সাহস যে তুই স্যারের মতন সম্মানিত মানুষের সাথে বেয়াদবের মতন আচরণ করিস?
.
ছেলেটা একদম বোবা হয়ে গিয়েছে।আর তার সাথের ছেলেপেলে যারা আছে,তারা তো একদম যেনো কিছুই জানে না।ছেলেটার চুপচাপ থাকা দেখে আকাশ আবার তার কলার চেপে ধরে।

–কিরে এখন কথা বলছিস না কেন?
কিসের এতো পাওয়ার তোর?তুই চিনিস আমি কে?
.
তখনি পিছন থেকে কেউ একজন এসে শার্টের কলার চেপে ধরার মতন করে পিছন থেকে আকাশের শার্ট চেপে ধরে!আকাশ ছেলেটাকে ছেড়ে দিয়ে পিছনে ঘুরতেই দেখে ঈদনি তার শার্ট পিছন চেপে ধরে তার দিকে ভয়ানক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে!

চলবে?

ভুল ত্রুটি গুলো ক্ষমার নজরে দেখবেন।

প্রয়োজনীয় উক্তি..
গত পর্বের মধ্যে আমি গল্পের প্লটে আমার জায়গায় ছেলেটা এবং ছেলেটার,এই শব্দ গুলো উল্লেখ করেছিলাম।যেটার কারনে বুঝা যাচ্ছিলো না,যে কে গল্পটা বলছে।প্রথম ব্যাক্তি,না দ্বিতীয় ব্যাক্তি,না তৃতীয় ব্যাক্তি।তাই সেটাকে এডিট করে ঠিক করে দিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here