প`র্ন দেখতে গিয়েই খুঁজে পেলেন স্ত্রীর আ`পত্তিকর ভিডিও!

প`র্ন দেখতে গিয়েই খুঁজে পেলেন স্ত্রীর আ`পত্তিকর ভিডিও!

প`র্নোগ্রাফি অনেক সময় দা`ম্পত্য জীবনের হারিয়ে যাওয়া যৌ`ন সুখ ফিরিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু আবার বহু ক্ষেত্রে এর প্রভাবে সংসারে পড়ে ব`জ্রাঘাত। তেমনই এক ঘটনা এবার উঠে এল শিরোনামে। পেশায় চিকিৎসক কলকাতার এক মহিলা যে কা`ণ্ড ঘ`টালেন, তাতে হতবাক তার স্বামী! প`র্ন ছবি দেখে সঙ্গম করতে গিয়ে অনলাইনে আ`পত্তি`কর অব`স্থায় খুঁজে পেলেন স্ত্রীর ভিডিওই!বিষয়টা তাহলে একটু খোলসে করে বলা যাক। ২০১৮ সালে ভারতের কলকাতার মহিলার সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের পাত্রের সম্ব`ন্ধ করে বিয়ে হয়। দ`ম্পতি ব`র্তমানে বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা।

বিয়ের আগেই মহিলা হবু স্বামীকে তাঁর পুরনো ভালবাসার কথা জানিয়েছিলেন। এও বলেছিলেন যে, সেই স`ম্পর্কের ইতি হয়েছে। বিয়ের পর ভালই কাটছিল দা`ম্পত্য জীবন।কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়াল প`র্নোগ্রা`ফির প্রতি মহিলার আসক্তি। যৌ`ন তৃ`প্তি পেতে মহিলা একদিন স্বামীকে প`র্ন ছবি দেখতে বলেন। সেই সঙ্গে অনুরোধ করেন, ছবিতে ঠিক যেমনটা দেখাচ্ছে, তেমনটাই রিয়েল লাইফে অভিনয় করে দেখাতে হবে। এতদূর পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু স্ত্রীর মোবাইলে প`র্ন দেখতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ স্বামীর।ভিডিওতে নিজের স্ত্রী`কেই অন্য পু`রুষের স`ঙ্গে আ`পত্তি`কর অবস্থায় খুঁজে পান তিনি। অনলাইনে স্ত্রী`য়ের এই কী`র্তি দেখে তেলে বে`গুনে জ্ব`লে ওঠেন ব্যক্তি। ড্যা`মেজ ক`ন্ট্রোল করতে স্ত্রী দাবি করেন, ভিডিওটিতে তার সঙ্গে যাঁকে দেখা যাচ্ছে, তিনি মহিলার প্রা`ক্ত`ন প্রেমিক। এমনকী তিনি এও বলেন, এই ভিডিও দেখিয়ে তাকে ব্ল্যা`কমেল করারও চেষ্টা করছে সেই প্রে`মিক। প্র`মাণ হিসেবেই ভিডিওটি তিনি সেভ করে রেখেছেন।স্ত্রী`য়ের কথায় বিশ্বাস করে এমন পরি`স্থিতিতে তার পাশেই দাঁড়ান ব্য`ক্তি। কিন্তু দিন কয়েক পরই তাঁর মোহভঙ্গ হয়। ফের প`র্ন সাইটে স্ত্রীর আরেকটি ভি`ডিও খুঁজে পান তিনি।সেখানে আবার পা`র্টনার অন্য আরেক ব্য`ক্তি। হাতেনাতে ধরা পরতেই সত্যিটা স্বী`কার করেন মহিলা। জানান, এক নয়, একাধিক পুরুষের স`ঙ্গে তিনি মিলনে আব`দ্ধ হয়েছেন।কিন্তু কীভাবে সেসব ভি`ডিও পর্ন` সাইটে গেল, তা তিনি জানেন না। তবে এবার আর স্ত্রী`কে ক্ষমা করতে পারেননি ব্যক্তি। আপাতত আলাদাই রয়েছেন তিনি। স্বা`মীকে ফিরে পাওয়ার জন্য কা`উন্সে`লিংয়ের সাহায্য নিয়েছেন মহিলা//

Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *