বিয়ের ২ মাস পর থেকেই পুত্রবধূকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেন শ্বশুর

বিয়ের ২ মাস পর থেকেই পুত্রবধূকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেন শ্বশুর

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ছয় মাস ধরে এক গৃহবধূকে (১৯) ধ’র্ষণের অভি’যোগ উঠেছে তার শ্বশুরের বিরু’দ্ধে। এ ঘটনার আবদুল মোমিন (৪০) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ওই নারী দুপচাঁচিয়া থানায় তার শ্বশুরের বিরু’দ্ধে মাম’লা করেন।

শনিবার রাতেই দুপচাঁচিয়ার গোবিন্দপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরা’ধ স্বীকার করেছেন। ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেজ) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নি’র্যাত’নের শি’কার তরুণীর বরাত দিয়ে ওসি বলেন, ধ’র্ষণে’র শি’কার মেয়েটির বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। আট মাস আগে তার বিয়ে হয়। তারপর থেকে মেয়েটি শ্বশুরবাড়িতেই ছিল। মেয়েটির পরিবার তাদের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় সে কখনো নোয়াখালী যায়নি। ওসি আরও বলেন, আব্দুল মোমিন গ্রাম্য কবিরাজ। তিনি পুত্রবধূকে তার সঙ্গে শারী’রিক সম্প’র্ক স্থাপন করতে প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন যে তার সঙ্গে একজন কামেল জিন আছে।

শারী’রিক সম্প’র্ক স্থাপন করলে সেই জ্বিন খুশি হয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে দেবে। এরপর ছেলের বউকে ভয় ও নানা প্রলো’ভন দেখিয়ে তিনি শারীরিক সম্প’র্ক করতে বা’ধ্য করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে মে’রে ফেলবেন বলেও হু’মকি দেন। গত ছয় মাস ধরে আব্দুল মোমিন মেয়েটিকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেছেন, উল্লেখ করে ওসি মিজানুর রহমান বলেছেন, সর্বশেষ গত ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাড়িতে একা পেয়ে তাকে আবারও ধ’র্ষণ করেন। সন্ধ্যায় তার স্বামী বাড়ি ফিরলে পুরো ঘটনা জানিয়ে মেয়েটি তার এক মামার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে তিনি শনিবার রাতে দুপচাঁচিয়া থানায় শ্বশুরের বিরু’দ্ধে নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন আইনে মা’মলা করেন। মাম’লার তদ’ন্তকারী কর্মকর্তা দুপচাঁচিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুর রহমান জানান, আবদুল মোমিন এলাকায় ভ’ণ্ড কবিরাজ হিসেবে পরিচিত। তার দিনমজুর ছেলে সুজন প্রায় আট মাস আগে ওই নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের দু’মাস পর থেকে ছেলে কাজে গেলে মোমিন তার ছেলের বউকে ধ’র্ষণ করতে থাকেন।

সর্বশেষ ৪ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে কেউ না থাকায় শ্বশুর মোমিন তাকে আবারও ধ’র্ষণ করেন। মা’মলা হওয়ার পর আব্দুল মোমিনকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার দুপুরে মোমিনকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জে’লহা’জতে পাঠানো হয়েছে।

Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *